কালিয়াকৈরে বিএনপির কমিটি নিয়ে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০ জন

কালিয়াকৈরে বিএনপির কমিটিকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। রাজনৈতিক বিরোধ ও কমিটি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। আহতদের মধ্যে নেতাকর্মী রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।


গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ঘিরে দলটির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৫ জুন) দুপুরে সাহেব বাজার এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।

বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন, ১ নম্বর আহ্বায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং সদস্যসচিব ব্যারিস্টার চৌধুরী আহমেদ সিদ্দিকীর স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

তবে ঘোষিত কমিটিকে কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির একাংশ মানতে অস্বীকৃতি জানায়। এর প্রতিবাদে রোববার দুপুরে ওই নেতাকর্মীরা সাহেব বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে কমিটি বাতিলের দাবি তুলেন।

অপরদিকে, একই দিনে নবগঠিত কমিটিকে সমর্থন জানিয়ে অন্য একটি গোষ্ঠী বিজয় মিছিল করে। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা চালায়। তবে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।


ভারতের কোন অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে পাকিস্তান? প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্তব্য

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ভারতীয় ভূখণ্ডের কোন অঞ্চলে তারা সম্ভাব্য হামলা চালাতে পারে। তার এই মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চলমান চাপের মধ্যে এমন মন্তব্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে আন্তর্জাতিক মহলেও। কূটনৈতিক মহলে এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা ও প্রতিক্রিয়া।


পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ সম্প্রতি জিও টিভির ‘আজ শাহজাইব খানজাদা কে সাথ’ অনুষ্ঠানে ভারত-পাকিস্তান চলমান উত্তেজনা নিয়ে সরব হন।

তিনি জানান, ভারত কিছু নির্দিষ্ট শহরকে রাডারে এনে একাধিকবার টার্গেট করার চেষ্টা করেছে, যাতে প্রয়োজনে সেখানে আক্রমণ চালানো যায়। এই সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করতে পাকিস্তানের কিছু শহরে নিরাপত্তা সতর্কতা হিসেবে আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়।

ভারতকে হুঁশিয়ার করে খাজা আসিফ বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ভারত যদি আগ্রাসন চালায়, তাহলে তাদের তার মূল্য চুকাতে হবে। আমরা কোনোভাবেই এই পরিস্থিতি মেনে নেব না এবং তার জবাব দেওয়া হবেই।”

[আরোও পড়ুনঃহুথি নেতৃত্বের স্পষ্ট বার্তা] [ইউটিউবে খবর দেখুন]

তিনি জানান, দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া সংকট এখনো অব্যাহত রয়েছে। “যদি ভারত কোনো যৌক্তিকতা ছাড়াই পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পাকিস্তানও সমানভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে,” বলেন আসিফ।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পাকিস্তান বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্যবস্তু করবে না। তার ভাষায়, “আমরা কেবল সামরিক স্থাপনাকেই প্রতিহত আক্রমণের জন্য বেছে নেব।”


ভারতের হামলার পাল্টা দিতে প্রস্তুত পাকিস্তান সেনা

সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির সেনাবাহিনীকে ভারতের আগ্রাসনের পাল্টা জবাব দিতে অনুমতি দিয়েছে। একাধিক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিরক্ষা পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে ‘প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখানো হলেও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।


🔻 ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হামলার অনুমতি দিল পাকিস্তান

জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী ঘটনার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। চলমান বাকযুদ্ধ ও সামরিক হুমকির ধারাবাহিকতায় এবার বাস্তবে রূপ নিয়েছে সামরিক সংঘর্ষ। ভারত আজাদ কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।

এর প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানও হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত হচ্ছে। দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কমিটি—ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটি (NSC)—সেনাবাহিনীকে পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

[আরোও পড়ুনঃ তাইওয়ানে ভূমিকম্পের ধাক্কা] [ইউটিউবে খবর দেখুন]]

বুধবার (৭ মে) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত NSC সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
দ্য ডন-এর বরাতে জানা যায়, পাকিস্তান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে প্রস্তুত এবং ভারতের হামলার জবাবে “যেকোনো সময় ও স্থানে উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া” জানানো হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে কমিটি বলেছে, দেশের নিরীহ মানুষের প্রাণহানি এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার পাকিস্তানের রয়েছে। ফলে, সামরিক বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


সীমান্ত উত্তপ্ত: পাকিস্তানের হামলায় কাঁপলো ভারতীয় সেনাঘাঁটি

ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিগেড সদরদপ্তরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সরাসরি হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। সীমান্তে এই আক্রমণের ফলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। হামলায় হতাহতের খবর পাওয়া গেলেও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিরক্ষা দপ্তর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে। এই ঘটনা ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


🔻 ভারত-পাকিস্তান নতুন সংঘর্ষ: ব্রিগেড সদরদপ্তরে হামলা ও পাল্টা আঘাত

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেড সদরদপ্তরে হামলার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ইসলামাবাদ থেকে পরিচালিত এক অভিযানে ভারতীয় এই সামরিক স্থাপনাটি ধ্বংস করা হয়েছে। দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম পিটিভিকে এক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এছাড়া সীমান্তরেখা (এলওসি)-র দুদনিয়াল সেক্টরে ভারতীয় বাহিনীর একটি চৌকিতে মিসাইল হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করার দাবি করেছে পাকিস্তান।

এই পাল্টা জবাব এসেছে ভারতের মধ্যরাতের হামলার পরপরই। পাকিস্তানের ডিজিএফআইয়ের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানান, ভারতের ছোড়া মিসাইল পাঁচটি ভিন্ন জায়গায় আঘাত হানে—যার মধ্যে রয়েছে কোটলি, বাঘ, মুজাফফরাবাদ, মুরিদকে এবং ভাওয়ালপুরের পূর্ব আহমেদপুর। এতে কমপক্ষে ৩ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হন, যাদের মধ্যে এক শিশু রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, আহমেদপুর ও কোটলির দুটি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে, যা আরএসএস মতাদর্শের প্রতিফলন বলে দাবি করেন তিনি।

[আরোও পড়ুনঃ রাফাল-মিগসহ] [ইউটিউবে খবর দেখুন]

মুজাফফরাবাদে এক রাস্তায় মিসাইল আঘাত হানলেও সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

অন্যদিকে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামের একটি অভিযানে পাকিস্তান ও আজাদ কাশ্মীরে অবস্থিত সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর দাবি, এ হামলা শুধুই সন্ত্রাসীদের অবকাঠামোতে হয়েছে, সেনাবাহিনীর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করা হয়নি।

সবমিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখন সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে


মুখোমুখি ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজ: শিক্ষাঙ্গনের অস্থিরতা

ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষে উভয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে পড়ায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নিলেও পরিস্থিতি এখনও সম্পূর্ণ শান্ত হয়নি। এই সংঘর্ষের কারণ ও ফলাফল নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষাঙ্গনে শান্তি বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিস্তারিত জানুন আমাদের প্রতিবেদনে।

বিজ্ঞাপন বিহীন সংবাদ পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো দিন, একদেশ নিউজ খবর পেতে গুগল নিউজইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন

রাজধানীর আজিমপুর-মিরপুর সড়কে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে আবারও মুখোমুখি হয় ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। হঠাৎ করে শুরু হওয়া এই উত্তেজনায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং এক পর্যায়ে ইটপাটকেল ছোঁড়াছুঁড়ি হয়।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের দাবি, আগের দিন ধানমন্ডি এলাকায় তাদের এক সহপাঠীকে কিছু অজ্ঞাত যুবক মারধর করে। তাদের ধারণা, হামলাকারীদের একজন সিটি কলেজের শিক্ষার্থী। পূর্বের বিরোধ থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত বলে মনে করছেন তারা।

[পড়ুন – প্রাণভয়ে বাংলাদেশ ছাড়লেন হাথুরুসিংহ ]

ঘটনার সময় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা সিটি কলেজের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন সিটি কলেজের শিক্ষকরা, কিন্তু উত্তেজনা বাড়তে থাকলে কলেজের মূল গেটে ইট-পাটকেল ছোঁড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এর আগেও ১৫ এপ্রিল সায়েন্সল্যাব মোড়ে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যেখানে কয়েকজন আহত হন।


Exit mobile version