ছাত্রদলের উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে ছাত্রদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

খাগড়াছড়িতে ছাত্রদলের উদ্যোগে দরিদ্র ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা ছাত্রদল শাখার এই প্রয়াস শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের উৎসাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদল সম্প্রতি আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে। গতকাল বিকেলে খাগড়াছড়ি শহরের কলাবাগানে জেলা বিএনপির সভাপতির বাসভবনের হলরুমে এই উপকরণ তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ক্যাডাররা শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়। বক্তারা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর না সৃষ্টি হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জাহিদসহ অন্যান্যেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন


সাবেক এমপি জাফর আলম ১৮ দিনের রিমান্ডে,

কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে ১৮ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার বিরুদ্ধে চলমান তদন্তে নতুন তথ্য উদঘাটনের জন্য এই রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া। তদন্তকারীরা বলছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।


কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়ায় দায়ের হওয়া সাতটি মামলার—including একটি হত্যা মামলা—জড়িত অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমের ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১৮ জুন) সকাল ৯টায় চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ারুল কবির এই আদেশ দেন।

চকরিয়া আদালতের এপিপি মুহাম্মদ গোলাম সরওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পৃথক মামলাগুলোর জন্য রাষ্ট্রপক্ষ মোট ২৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত সেখান থেকে ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জাফর আলমকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সকাল ৭টায় আদালতে হাজির করা হয়। পরে সকাল ৯টার দিকে রিমান্ড শুনানির পর আদেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চকরিয়া থানা হেফাজতে রয়েছেন।

এদিকে, সাবেক এই সংসদ সদস্যকে আদালতে হাজির করার খবর ছড়িয়ে পড়লে চকরিয়ায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা থানা মোড় এলাকায় বিক্ষোভে ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেয়। তাদের দাবি, জাফর আলমের বাহিনী বহু বিএনপি নেতাকর্মীকে নির্যাতন ও হত্যার সঙ্গে জড়িত। অপরদিকে, জাফরের মুক্তির দাবিতে পাল্টা মিছিল করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।


অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তুষার বরখাস্ত

নৈতিক স্খলনের গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সারোয়ার তুষারকে সংগঠনের সকল কার্যক্রম থেকে সাময়িক বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানানো হয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা সীমিত থাকবে। বিষয়টি ঘিরে সংগঠনজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারকে দলীয় কার্যক্রম থেকে সাময়িক বিরত থাকতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তদন্তাধীন থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) এনসিপির দফতরের যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতের সই করা একটি কারণ দর্শানো নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, “আপনার বিরুদ্ধে একটি নৈতিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেন আপনার অবস্থান জানতে চেয়েছেন।

অভিযোগের ব্যাখ্যা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে রাজনৈতিক পর্ষদ এবং তদন্ত কমিটির কাছে লিখিতভাবে জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও, চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সারোয়ার তুষারকে দলের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।


ইশরাক ইস্যুতে ফের নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভে নেতাকর্মীরা

নির্বাচিত কাউন্সিলর ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনও নগর ভবনে বিক্ষোভ করছে বিএনপি ও সমর্থকরা। তারা অভিযোগ করছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে শপথ নিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আন্দোলনকারীরা দ্রুত শপথ কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়ে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনের সামনে আবারও অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছে কর্মচারী ইউনিয়নের একাংশ ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের সমর্থকরা। তাদের দাবির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে—তাকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) সকাল থেকেই নগর ভবনের প্রধান ফটক ও অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা।

তাদের অভিযোগ, আদালতের রায় থাকলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপে ইশরাককে শপথ নিতে দেওয়া হচ্ছে না, যা প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা বলে দাবি তাদের।

এ অবস্থার ফলে আজও নগর ভবনের সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে, আজকের দিনেই ইশরাক হোসেন ৭০টি ওয়ার্ডের সচিবদের সঙ্গে ডেঙ্গু নির্মূল কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।


ব্রাজিল দূতাবাসে বিএনপি মহাসচিবের কৌশলগত আলোচনার বার্তা

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকটি দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমঝোতা বৃদ্ধির এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্দো ডায়াস ফেরেসের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। বৈঠকটি শুরু হয় মঙ্গলবার সকাল ১১টায়।

বিএনপি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সংলাপের অংশ হিসেবেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামা ওবায়েদ।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

এর আগে গত সোমবার (১৬ জুন), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ধারাবাহিক কূটনৈতিক সংলাপের অংশ হিসেবেই এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


খাগড়াছড়িতে হিন্দু জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিএনপির খোলামেলা আলোচনা

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে, যেখানে ধর্মীয় সহাবস্থান, অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। দলটি হিন্দু জনগণের আস্থা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চায় বলে জানায়। এই আয়োজন রাজনৈতিক সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।


“ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার”—এই মর্মবাণীকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মুক্ত মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। এই সভার আয়োজন করে খাগড়াছড়ি জেলার সনাতনী সমাজ, এবং এটি অনুষ্ঠিত হয় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, বিএনপি সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়স্থল। দলটি পুনরায় ক্ষমতায় এলে সকল সম্প্রদায়ের জন্য সমান উন্নয়ন ও ধর্মীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, নির্বাচনের আগে হিন্দুদের ভোট নিতে মধুর প্রতিশ্রুতি দেয় তারা, কিন্তু পরে তাদের ভূমি ও সম্পদ দখলে নেয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য হিন্দু উন্নয়ন সংসদের অশোক মজুমদার। বক্তৃতা দেন ইঞ্জিনিয়ার নির্মল কান্তি দাশ, প্রেসক্লাব সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য, মন্দিরের সহ-সভাপতি আশীয় ভট্টাচার্য ও সম্পাদক নির্মল দেবসহ জেলার বিভিন্ন সনাতনী সংগঠনের নেতারা।

ওয়াদুদ ভূঁইয়া আরও দাবি করেন, বিএনপি সরকারের আমলে খাগড়াছড়িতে শত শত মসজিদ ও মন্দির নির্মাণ হয়েছে, বিনামূল্যে চাকরি মিলেছে। অথচ বর্তমান সরকার দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে মানুষের জীবনে দুর্ভোগ তৈরি করেছে।

সভায় উপস্থিত হিন্দু নেতারা ৫ আগস্টের ঘটনার সময় ওয়াদুদ ভূঁইয়ার মন্দির ও বাড়ি রক্ষার উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতে তাকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু, মোশাররফ হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজা।


ফ্যাসিবাদী হুমকির ছায়ায় আজও গণমাধ্যম

বর্তমানেও ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত নয় গণমাধ্যম। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে নানা রকম চাপ ও নিয়ন্ত্রণে। এই পরিস্থিতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। স্বাধীন সাংবাদিকতা টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, জবাবদিহিতা ও জনগণের সক্রিয় সমর্থন।


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র টেকসই হয় না। ১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৬ জুন) সকালে নিজের ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান লিখেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশে চরম কর্তৃত্ববাদী একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই দিন বাতিল করা হয়েছিল সব রাজনৈতিক দল, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল প্রায় সব সংবাদপত্র, কেবল সরকারনিয়ন্ত্রিত চারটি পত্রিকাই টিকে ছিল। ফলে সাংবাদিকরা হারান চাকরি, ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের পরিবার।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র এবং বাকস্বাধীনতা। কিন্তু স্বাধীনতার পরপরই সেই চেতনাকে পদদলিত করে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে মানুষের কণ্ঠরোধ করা হয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ মানেই চিন্তা ও বিবেককে বন্দি রাখা।

তারেক রহমান আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই দুঃসময় থেকে দেশকে বের করে এনে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ পুনরুদ্ধার করেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন, বাতিল করেন সব অগণতান্ত্রিক আইন।

তার অভিযোগ, আজও গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয়। শেখ হাসিনার শাসনামলেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন দমনমূলক আইন করে সাংবাদিকদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। ফলে দেশের সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভয়ভীতির মধ্যে বন্দি হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র থাকে না। তাই দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রকৃত গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে এই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।


আইনজীবীদের তত্ত্বাবধানে শেখ হাসিনাসহ ৩ নেতার শুনানি আজ

আজ আদালতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শেখ হাসিনাসহ তিনজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি। মামলার প্রেক্ষাপট ও বিচারিক প্রক্রিয়া ঘিরে চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা। এই শুনানি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে উঠেছে, যা জনমত ও গণমাধ্যমের নজর কেড়েছে।


আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ শুনানির কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

সোমবার নির্ধারিত এ শুনানিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠনের বিষয়টি বিবেচনায় আসবে শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে।

এর আগে ১ জুন ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করে এবং সেদিন কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করে।

প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সারা দেশে সংঘটিত সহিংসতায় প্রায় ১,৪০০ জন ছাত্র ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনার জন্য শেখ হাসিনার ‘নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনাকে’ দায়ী করেছে প্রসিকিউশন। অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব হত্যাকাণ্ডে যুক্ত ছিল এবং সরকারপক্ষের নির্দেশে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।


Exit mobile version