কোরবানির চামড়া নিয়ে সরকারিভাবে নতুন মূল্য ঘোষণা

চলতি বছরের কোরবানির পশুর চামড়ার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। নির্ধারিত এই দামে এবার চামড়া বেচাকেনা হবে সারাদেশে। ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী লেনদেনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজারে নজরদারি থাকবে। বিস্তারিত জানুন কোরবানির চামড়ার দাম ও নিয়মনীতি নিয়ে আমাদের প্রতিবেদন থেকে।


ঈদুল আজহায় কোরবানির চামড়ার দাম নির্ধারণ: গরুর চামড়া বর্গফুটে ৫ টাকা বৃদ্ধি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেছে। গত বছরের তুলনায় এবার গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ৫ টাকা এবং খাসি ও বকরির চামড়ার দাম ২ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ঢাকায় কাঁচা গরুর চামড়ার সর্বনিম্ন মূল্য ১,৩৫০ টাকা ও ঢাকার বাইরে ১,১৫০ টাকা ধরা হয়েছে।

খাসির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ২০ থেকে ২২ টাকায় বিক্রি করা যাবে। বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, দেশে চামড়ার চাহিদা না থাকলে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে চামড়া রপ্তানির উপর থেকে সরকার সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে।

এবার চামড়া সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকার ৩০ হাজার টন লবণ বিনামূল্যে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করবে, যাতে কোরবানির চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়।


শেয়ারবাজারে ‘লুটের রাজত্ব’ চলছে: শফিকুল আলমের কড়া সমালোচনা

শেয়ারবাজার নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন শফিকুল আলম, যিনি একে ডাকাতদের আড্ডা বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, সংঘবদ্ধ একটি চক্র বিনিয়োগকারীদের ঠকিয়ে বাজারকে অস্থির করছে। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি। বিস্তারিত পড়ুন শেয়ারবাজারে অরাজকতা ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে।


শেয়ারবাজার সংস্কার জরুরি: বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে ‘ডাকাতদের আড্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “এখানে এক দল ডাকাত চলে গেলে আরেক দল এসে জায়গা দখল করে। এই চক্র থেকে বের হতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।” প্রধান উপদেষ্টাও শেয়ারবাজারের আমূল পরিবর্তনে জোর দিয়েছেন।

রোববার রাজধানীর পল্টনে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সিএমজেএফ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুল আলম বলেন, “অতীতে যারা শেয়ারবাজার সংস্কারের দায়িত্ব পেয়েছেন, তারা গোষ্ঠীস্বার্থে কাজ করেছেন। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পেলেও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হচ্ছেন। কিছু সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী নিয়মিত শেয়ারবাজারে কারসাজি করছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবারের সংস্কার যেন স্বচ্ছ ও গোষ্ঠীস্বার্থমুক্ত হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হবে।”

তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে শেয়ারবাজার আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে চান। তিন মাসের মধ্যে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেবেন, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। এতে শেয়ারবাজার আর গোষ্ঠীস্বার্থের জিম্মি থাকবে না।

শেয়ারবাজারকে অনেকে অবৈধ অর্থের উৎস হিসেবে ব্যবহার করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রভাবশালীরা সহজেই কোটিপতি হচ্ছেন, কিন্তু সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই অসঙ্গতি দূর করতে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে, কারণ স্থানীয়রা প্রভাবিত হতে পারেন। শ্রীলঙ্কা ও ভারতে এই মডেল সফল হয়েছে, বাংলাদেশও পারবে।”


উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন ধাপ, একনেকে ৯টি প্রকল্প পাস

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় মোট ৩৭৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি আধুনিকায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিকসেবা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে।


🔻 একনেকে পাস হলো ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প, ব্যয় প্রায় ৩৭৫৬ কোটি টাকা

বুধবার (৭ মে) রাজধানীর পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ৩ হাজার ৭৫৬ কোটি ২০ লাখ টাকার ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সভা শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকার সরাসরি অর্থায়ন করবে ২ হাজার ৭৯৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এছাড়া, প্রকল্প ঋণ থেকে আসবে ৮১২ কোটি ৯৫ লাখ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন হবে ১৪৫ কোটি ৬ লাখ টাকা।

[আরোও পড়ুনঃ প্রশিক্ষণে সরকার এগিয়ে আসছে] [ইউটিউবে খবর দেখুন]

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জেলায় স্থাপিত সরকারি জেলায়জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই। সে কারণে আপাতত জেলা পর্যায়ে নতুন করে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বা সম্প্রসারণ প্রকল্প নেওয়া হবে না।


স্বর্ণের দাম বাড়ছে, ভবিষ্যতে অস্থির বাজারে কতটা লাভ হবে?

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে অনেকেই স্বর্ণে বিনিয়োগের কথা ভাবেন। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিসঙ্গত? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বর্ণের দাম সাধারণত অস্থির বাজারে স্থিতিশীল থাকে, যা একে নিরাপদ বিনিয়োগের বিকল্প করে তোলে। তবে, এর দাম উঠানামা করতে পারে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণে। স্বর্ণে বিনিয়োগের আগে বাজার বিশ্লেষণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি লাভের দিকগুলো বিবেচনা করা জরুরি। বিস্তারিত জানুন আমাদের প্রতিবেদনে।

বিজ্ঞাপন বিহীন সংবাদ পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো দিন, একদেশ নিউজ খবর পেতে গুগল নিউজইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নজিরবিহীন হারে বাড়ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মুখে অনেকেই স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ মনে করে কেনার দিকে ঝুঁকছেন।

ইতিহাস বলছে, অর্থনৈতিক সংকটের সময় এই ধাতুটি বরাবরই একটি নির্ভরযোগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই ‘নিরাপদ আশ্রয়’ কি আসলেই ঝুঁকিমুক্ত?

গত শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পরিবর্তনের মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি। তার এই পদক্ষেপের প্রভাবে সম্প্রতি স্বর্ণের দাম এক লাফে বেড়ে ৩১৬৭ ডলারে পৌঁছে যায়। বাণিজ্য যুদ্ধ ও রাজনৈতিক টানাপড়েনের জেরে স্বর্ণের দাম রেকর্ড ছুঁয়েছে একাধিকবার।

প্রতিবারই যখন বাজারে ধস নামে বা বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তখন স্বর্ণ কেনার প্রবণতা বাড়ে। অনেকেই শেয়ার বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

বেলফাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক ইতিহাসবিদ ড. ফিলিপ ফ্লায়ার্স জানাচ্ছেন, বর্তমান সময়ে স্বর্ণ কিনছেন সরকার, প্রাতিষ্ঠানিক ও খুচরো বিনিয়োগকারীরা। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষ ইক্যুইটি বাজার থেকে বেরিয়ে গিয়ে স্বর্ণকেই আশ্রয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। ফলে এর চাহিদা ও দাম—উভয়ই দ্রুত বাড়ছে।

[পড়ুন – আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের শীর্ষ শিরোনাম ]

২০২০ সালের করোনা মহামারির সময়েও দেখা গেছে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের উত্থান। তবে এর মানে এই নয় যে স্বর্ণ একেবারেই ঝুঁকিমুক্ত। কারণ, একই বছর জানুয়ারিতে দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও মার্চের মধ্যেই আবার পতন শুরু হয়।

ড. ফ্লায়ার্স সতর্ক করে বলেন, “নিরাপদ বিনিয়োগ” বললেই তা ঝুঁকিমুক্ত হয় না। স্বর্ণের দাম কখন বাড়বে বা কমবে, তা নির্ভর করে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও বাজারের মনোভাবের উপর।

স্বর্ণের প্রতি মানুষের আস্থার পেছনে শুধু বাজারমূল্য নয়, রয়েছে এর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বও। প্রাচীন মিশরের রাজা তুতেনখামুনের সোনার মুখোশ, ভারতের পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের সোনার আসন কিংবা ঘানার ঐতিহ্যবাহী গোল্ডেন স্টুল—সবই এর উদাহরণ।

তবে বাসায় থাকা স্বর্ণালঙ্কারের মূল্য ততটা ওঠানামা করে না। কিন্তু বড় বিনিয়োগ করলে তা অনেক সময় বাজারের বড় খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

ড. ফ্লায়ার্স আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ কিনছে রিজার্ভ শক্তিশালী করতে। এ কারণেই দাম বাড়ছে, তবে সেই বাড়তি দাম ধরে রাখা যাবে কি না, তা ভবিষ্যতের বাজার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে।

সতর্ক বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, স্বর্ণে বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদী হলে লাভজনক হতে পারে, তবে তাৎক্ষণিক মুনাফার আশায় এতে ঝাঁপিয়ে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ।


২১ ক্যারেট স্বর্ণের দর ১ লাখ ১৫ হাজার: বাংলাদেশ

বাংলাদেশে স্বর্ণের দর প্রতিদিন পরিবর্তনশীল, যা আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের রেট এবং স্থানীয় চাহিদা-জোগানের উপর নির্ভর করে। আজ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দর প্রতি ভরিতে ১ লাখ ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দর কিছুটা কম, প্রতি ভরিতে ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। বিনিয়োগকারী এবং ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণের দর জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। স্বর্ণের দর সম্পর্কে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।


বিজ্ঞাপন বিহীন সংবাদ পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো দিন, একদেশ নিউজ খবর পেতে গুগল নিউজইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন

আজ, ২১শে এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশে স্বর্ণের সর্বশেষ দর বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক নির্ধারিত এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • ২২ ক্যারেট (হলমার্ক করা): ১৬৭,৮৩৩ টাকা
  • ২১ ক্যারেট: ১৬০,২০৫ টাকা
  • ১৮ ক্যারেট: ১৩৭,৩০৯ টাকা
  • সনাতন পদ্ধতি: ১১৩,৪৯১ টাকা
  • ২২ ক্যারেট: ১৪,৩৮৯ টাকা
  • ২১ ক্যারেট: ১৩,৭৩৫ টাকা
  • ১৮ ক্যারেট: ১১,৭৭২ টাকা
  • সনাতন পদ্ধতি: ৯,৭৩০ টাকা

[পড়ুন – আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের শীর্ষ শিরোনাম ]

  • স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের হারের উপর ভিত্তি করে এবং স্থানীয় চাহিদা ও সরবরাহের কারণে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
  • জুয়েলারি কেনার সময় এর সাথে ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জ যোগ হতে পারে।

Exit mobile version