পুরস্কার অনুষ্ঠানে না গিয়ে মনু মিয়ার জানাজায় ছুটে গেলেন খাইরুল বাশার

অভিনেতা খাইরুল বাশার বন্ধুর জানাজায় অংশ নিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার অনুষ্ঠান ছেড়ে দেন। মনু মিয়ার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে কোনো কিছু না ভেবে ছুটে যান জানাজায়। তাঁর এই মানবিক সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসা কুড়ায়। বন্ধুত্ব ও দায়িত্ববোধের নজির স্থাপন করলেন তিনি।


কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের আলগাপাড়া গ্রামে নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন গোরখোদক মনু মিয়া। শনিবার (২৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি জীবদ্দশায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার কবর খনন করেছেন এবং একস্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতে ঘোড়ার ব্যবহার করতেন।

মনু মিয়ার মৃত্যুর খবর শুনে ঢাকা থেকে ছুটে যান জনপ্রিয় নাট্য অভিনেতা খাইরুল বাশার। তিনি শুধু জানাজায় অংশগ্রহণই করেননি, বরং দাফনের কাজেও সহযোগিতা করেছেন এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মনু মিয়ার স্ত্রীকে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে নিজের ফোন নম্বরও দিয়ে যান এই অভিনেতা।

এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে খাইরুল বাশারের ‘সেরা নাট্য অভিনেতা’ পুরস্কার পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা উপেক্ষা করে তিনি জানাজায় অংশ নেন এবং সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে মনু মিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

ফেসবুকে তিনি লেখেন, “মনু কাকা চলে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি সবসময় বলতেন—নিজ গ্রাম থেকেই যেন আল্লাহ তাকে ডাকেন। আল্লাহ তার সেই প্রার্থনা কবুল করেছেন।”

খাইরুল বাশার জানান, মনু মিয়া ছিলেন অত্যন্ত সততা ও নীতিবোধসম্পন্ন একজন মানুষ। হাসপাতাল থেকে ফেরার পর তিনি তাকে দেখা করতে বলেছিলেন, কিন্তু সে ইচ্ছা পূরণ হয়নি বলেও দুঃখ প্রকাশ করেন বাশার। মনু মিয়ার স্বপ্ন ছিল একটি ঘোড়ার, কিন্তু অসুস্থ অবস্থায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা তার প্রিয় ঘোড়াটিকে হত্যা করে।

এই বর্ষীয়ান কবর খননকারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করে খাইরুল বাশার বলেন, “মনু চাচা জান্নাতুল ফেরদৌসে স্থান পান—এই দোয়া করি।


উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বাজেট অনুমোদন

উপদেষ্টা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে নতুন অর্থবছরের বাজেট সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠকে উন্নয়ন খাত, সামাজিক নিরাপত্তা, অবকাঠামো ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনের আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা। বাজেট অনুমোদনের ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।


২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। রোববার (২২ জুন) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বাজেটের অনুমোদন দেওয়া হয় বলে প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে।

আগামী ১ জুলাই থেকে এই বাজেট কার্যকর হবে। এতে আলোচিত অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ—বিশেষ করে ফ্ল্যাট বা ভবন নির্মাণে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল করা হয়েছে। বাজেটের লক্ষ্য, দেশের প্রবৃদ্ধি ৫.৫ শতাংশে পৌঁছানো।

বাজেট ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা দেশীয় উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা বিদেশি উৎস থেকে সংগ্রহ করবে সরকার।

এবার জাতীয় সংসদ স্থগিত থাকায় বাজেট ঘিরে তেমন আলোচনার সুযোগ হয়নি। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মতামত দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলোর মধ্যে কিছু চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন সংবাদ সম্মেলন ও অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে।

উল্লেখযোগ্য যে, চলতি অর্থবছরে ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বরাদ্দ ছিল ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে ১০টি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বেড়ে ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা হয়েছে, আর ৫২টির বরাদ্দ অপরিবর্তিত বা কিছুটা কমেছে।

প্রসঙ্গত, সংসদ না থাকায় গত ২ জুন বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, যা সম্প্রচার হয় টেলিভিশনে।


অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম

ঢাকা মেডিকেল কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দ্রুত আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাড়তি নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।


আবাসন সংকটে উত্তাল ঢাকা মেডিকেল, একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

নিরাপদ আবাসনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (২১ জুন) কলেজ প্রশাসন এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার (২২ জুন) দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষার্থী ও বিদেশি শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবেন।

এর আগে সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা ও আবাসন সংকটের প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের পলেস্তারা খসে পড়ছে, ফজলে রাব্বি হলসহ অন্তত দুটি আবাসিক হল ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছাত্রী হলের ছাদ থেকে সিলিংও খসে পড়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, আবাসনের উন্নয়ন না হলে তারা ক্লাসে ফিরবেন না। পাশাপাশি বাজেটে আবাসন সমস্যা সমাধানে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।


প্রতিদিনই যেন নতুন এক অপেক্ষার গল্প

“অপেক্ষার দিনপঞ্জি” প্রতীক্ষার অনুভূতিকে ছুঁয়ে যাওয়া এক কাব্যিক বাস্তবতা। প্রতিদিনের যাপনে জমে থাকা আবেগ, আকাঙ্ক্ষা ও অসম্পূর্ণতার মিশেলে এই গল্প হৃদয়ের গভীরে পৌঁছায়। সময়ের স্রোতে এগিয়ে চলা জীবনে প্রতীক্ষার ক্ষণগুলোই হয়ে ওঠে সত্যিকারের উপলব্ধির প্রতিচ্ছবি।


তোমাকে না পেয়ে প্রতিটি দিন নিঃস্ব লাগে

তোমার অনুপস্থিতি যেন বিষাদের রঙ মেখে দেয় আমার চারপাশে।
তুমি কি আমার মতোই ব্যথিত হলে, আমার মতোই নিঃসঙ্গতায় ভুগো?

প্রতিদিন ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণ ঘুরি,
মুখের ভিড়ে খুঁজি সেই মুখ—যেটা শুধু তোমার।
তবু কোথাও তুমি নেই—নতুন মুখের ভেতরেও তুমি অস্পষ্ট।

তুমি কি গাছের ছায়ায় লুকিয়ে থাকো?
দেবদারু কিংবা বকুলের পাতা কি তোমার আত্মগোপনের আড়াল?
কাশফুলের ধারে যাই, তবু তোমাকে দেখি না।

মেইন গেটের সন্ধ্যা ভিড়েও কি তুমি মিশে যাও জনতার ভেতরে?
তুমি কি কৃষ্ণচূড়া রোডের পথচারী নও?
আমি রোজ দাঁড়াই ওখানে—শুধু তোমার এক ঝলক চেয়ে।

তোমার প্রতীক্ষায় আমার ক্যালেন্ডারে বিষণ্নতা জমে।
দিন যায়, সন্ধ্যা নামে, অজস্র মুখ চোখে পড়ে—তবু তুমি না।

তুমি কি বইয়ের পাতায় নিজেকে গুটিয়ে রাখো?
নাকি তুমি উড়ে যাওয়া পানকৌড়ি—চঞ্চল, ধরাছোঁয়ার বাইরে?

তুমি কি নদীর ঢেউ হয়ে এড়িয়ে যাও আমাকে?
না কি গোধূলির বদলে যাওয়া রঙের মাঝে হারিয়ে যাও?

প্রতিদিনই খুঁজি তোমাকে, প্রতিবারই ব্যর্থ হই।
শুধু থেকে যায় তোমার নীরবতার কুয়াশা—ভেসে থাকা শূন্যতায়।


মিমিক্রির মাধ্যমে নতুন তারকাখ্যাতি পেলেন জেরিন

সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমিক্রির মাধ্যমে আলোচনায় আয়শা আক্তার জেরিন। তাঁর অভিনয়শৈলী ও কণ্ঠস্বর নকলের দক্ষতায় মুগ্ধ হচ্ছেন নেটিজেনরা। প্রতিটি ভিডিওতেই ছড়াচ্ছে হাসি, মজার ছলে তৈরি করছেন অনুরাগী দর্শক। তরুণ সমাজে জেরিন এখন একটি পরিচিত ও অনুপ্রেরণাদায়ী নাম।


কণ্ঠে যাঁর শিল্প, মনের শক্তিতে যাঁর পথচলা – আয়শা আক্তার জেরিন সেই অনন্য নাম

সবুজ ক্যাপ আর এপ্রোন পরে যিনি রোগীর সেবায় নিবেদিত, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায়ও তুমুল পরিচিত—তাঁর মিমিক্রি প্রতিভায় মুগ্ধ হাজারো মানুষ। মানিকগঞ্জ নার্সিং কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী আয়শা আক্তার জেরিন, একদিকে যেমন একজন দায়িত্ববান নার্সিং শিক্ষার্থী, অন্যদিকে তিনি ভয়েস ও মিমিক্রির এক উদীয়মান মুখ।

শিনচ্যান, ডোরেমন, ইকরি, মিনা, হাতোরি—এমনকি বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার ত্রিশটিরও বেশি কার্টুন চরিত্রের কণ্ঠ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন জেরিন। শুধুমাত্র কার্টুন নয়, ভয়েস ওভার দিয়েছেন বিভিন্ন ডকুমেন্টারি ও ভিডিও রিপোর্টে, সফলভাবে।

তাঁর এই দক্ষতা একদিনে গড়ে ওঠেনি। শৈশবে জেরিনের কথা স্পষ্ট ছিল না, কেউ বুঝতে পারত না তার ভাষা। এই প্রতিবন্ধকতা একসময় পরিণত হয় কঠিন সংকল্পে—একদিন এই দুর্বলতাকে শক্তিতে রূপ দেবেন। নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার মাস্টার পাড়া থেকে উঠে আসা এই কণ্ঠশিল্পী নিয়মিত নিজে নিজেই অনুশীলন করেছেন, ইউটিউব দেখে শেখার চেষ্টা করেছেন। করোনাকালে ঘরে বসে অনুকরণ করে শিখেছেন ভয়েস মডুলেশন। সেই পথ পেরিয়ে এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় মিমিক্রিকার হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন।

জেরিন বলেন, “কার্টুন দেখতে দেখতে মনে হতো—এই চরিত্রগুলোর কণ্ঠ আমি নিজেই দিতে পারি। সেই ইচ্ছে থেকেই শুরু।

আজ তাঁর সেই কণ্ঠই অনেককে অনুপ্রাণিত করছে। শব্দের ভিতর দিয়ে যে আত্মবিশ্বাস ও সম্ভাবনার গল্প বলা যায়—জেরিন তার প্রমাণ। ভবিষ্যতে তিনি ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পৌঁছাতে চান।


অতীতের প্রতিটি সম্পর্ক আমার জীবনের শিক্ষার অংশ

বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান ফেলে আসা সম্পর্ক নিয়ে বললেন, জীবনের প্রতিটি সম্পর্কই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি শিখেছেন ও নিজেকে তৈরি করেছেন। জয়া জানান, পুরনো সম্পর্কগুলোকেও তিনি শ্রদ্ধা করেন এবং এগুলোই তাকে শক্তি দিয়েছে সামনে এগিয়ে যেতে।


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জয়া আহসান শুধু বাংলাদেশেই নয়, পশ্চিমবঙ্গের দর্শকদের কাছেও নিজের অভিনয়, রূপ ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ক্যারিয়ারে একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন নানা পুরস্কার ও সম্মাননা।

ব্যক্তিগত জীবনে জয়ার দীর্ঘ ১৪ বছরের সংসার ছিল মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানের সঙ্গে, যা ভেঙে যায় ২০১২ সালে। তারপর থেকেই তিনি সিঙ্গেল এবং বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। সম্প্রতি আনন্দবাজারকে দেওয়া এক খোলামেলা সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের সম্পর্ক, শৈশব, মায়ের সঙ্গে বন্ধন এবং জীবনের মূল্যবান কিছু স্মৃতি ভাগ করেছেন।

জয়া জানান, তার প্রথম কানের দুলটি এখনও যত্নে রাখা আছে, যেটি উপহার দিয়েছিলেন তার নানু। নানুর দেওয়া প্রথম শাড়িটিও ছিল তার জীবনে ‘বড় হয়ে ওঠার’ অনুভূতির অংশ।
সম্পর্ক নিয়ে জয়ার মন্তব্য, “এখন কেউ আর সত্যিকারের রিলেশনশিপে যেতে চায় না। সবাই শুধু সিচুয়েশনশিপে থাকে।
বিয়ে নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “এই প্রতিষ্ঠানটা হয়তো এখন ‘ওল্ড স্কুল’ হয়ে গেছে, তবে সম্পর্কের ধরন বদলালেও, সব সম্পর্কই আমাদের জীবনে ছাপ ফেলে যায়। এমনকি ব্যর্থ সম্পর্কও আমাকে গড়ে তুলেছে


ইংল্যান্ডের ঘাঁটি থেকে মার্কিন ৪ যুদ্ধবিমানের টহল অভিযান শুরু

ইংল্যান্ডের সামরিক ঘাঁটি থেকে উড়াল দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি যুদ্ধবিমান। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ উড্ডয়ন আন্তর্জাতিক নজর কাড়ছে। যদিও গন্তব্য নির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি, তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা একে কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখছেন। বিষয়টি ঘিরে বাড়ছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ও কৌতূহল।


ইরান-ইসরায়েল চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব ইংল্যান্ডের রয়্যাল এয়ার ফোর্স লেকেনহিথ ঘাঁটি থেকে অন্তত চারটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান উড়াল দিয়েছে, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

একজন শৌখিন ফটোগ্রাফারের ক্যামেরায় ধরা পড়ে—ওই যুদ্ধবিমানগুলোর সঙ্গে আকাশে ছিল একটি ট্যাংকার বিমানও, যা জ্বালানি সরবরাহে নিয়োজিত ছিল।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনীর আরও একটি তৎপরতা নজরে এসেছে। বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি থেকে সব যুদ্ধজাহাজ একযোগে ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে গণমাধ্যমটি জানায়, ঘাঁটির মেইন ডক এখন পুরোপুরি ফাঁকা, কোনো যুদ্ধজাহাজ সেখানে নোঙর করা নেই। যদিও এই তৎপরতার কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি ওয়াশিংটন।

এই সামরিক গতিবিধি ইঙ্গিত দিচ্ছে, পরিস্থিতি আরও জটিল ও ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে।


দক্ষিণী নয়, বাংলাদেশি সিনেমায়ই আমার পরিচয়: শরিফুল রাজ

শরিফুল রাজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি দক্ষিণী নয়, বরং একজন গর্বিত বাংলাদেশি অভিনেতা। ভক্তদের মাঝে ভুল ধারণা ছড়ালো এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। ঢালিউড ও দেশের সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করতেই তার অভিনয় যাত্রা বলে জানান রাজ। এই বক্তব্যে তার জাতীয়তাবোধ ও পরিচয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।


ঢালিউডের প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতা শরিফুল রাজ তার আট বছরের অভিনয় জীবনে উপহার দিয়েছেন একের পর এক বৈচিত্র্যময় চরিত্র। অভিনয়ে নিজের জায়গা তৈরি করে নেওয়া এই অভিনেতা এবার ঈদুল আজহায় নিয়ে এসেছেন নতুন সিনেমা ‘ইনসাফ’। সঞ্জয় সমদ্দারের পরিচালনায় এ সিনেমায় রাজের বিপরীতে আছেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। সিনেমাটিতে এক ভিন্ন ও ভয়ংকর অবতার চরিত্রে দেখা যায় রাজকে, যা দর্শকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করেছে।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে শরিফুল রাজ বলেন, “আমি দক্ষিণী নয়, আমি একজন বাংলাদেশি অভিনেতা। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের নিজস্ব গল্প আমরা নিজেরাই বলব। বাংলাদেশের মাটি, ভাষা, সংস্কৃতি আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি এই দেশের সন্তান, এখানকার গল্প বলাই আমার দায়িত্ব।

‘ইনসাফ’ সিনেমা প্রসঙ্গে রাজ বলেন, “এটা কেবল অ্যাকশননির্ভর সিনেমা নয়। সমাজের দুর্নীতি, অবিচার আর নিস্তব্ধতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা তুলে ধরেছে এই ছবি। পরিচালক সঞ্জয় সমদ্দারের গভীর চিন্তা থেকেই এসেছে এই বার্তা, আর আমি চরিত্রটিকে পর্দায় জীবন্ত করে তোলার চেষ্টা করেছি। এটাই তো একজন শিল্পীর কাজ, সেখানেই আমার আনন্দ।”


Exit mobile version