ইউরোপীয় নীতিতে পরিবর্তন, সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সিরিয়ার অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় নীতির এ পরিবর্তন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর ইইউ কমিশনার কালাস জানান, সিরিয়ার জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নতুন সিরিয়া গঠনে সহায়তা করতে চাই। তিনি আরও বলেন, গত ১৪ বছর ধরে ইইউ সিরিয়ার পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

সম্প্রতি জানুয়ারির শেষ দিকে আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে বাশার আল-আসাদ সরকারকে হটিয়ে সিরিয়ায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা। এরপর পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, নতুন সরকারকে সমর্থনের ইঙ্গিত দেয়।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আল-শারারের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নিয়ে সিরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সম্ভাবনার কথা বলেন। এই ঘোষণার পর ইইউও একই পথে হাঁটছে বলে স্পষ্ট করে।

এদিকে, সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি ইইউর এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই সিদ্ধান্ত দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা আরও জোরদার করবে।


পদত্যাগ না করলে লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি এনসিপির

নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে এনসিপি মহানগর উত্তর। দলটির নেতারা বিতর্কিত কমিশনকে অবিলম্বে পদত্যাগের আহ্বান জানায়। আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা ঘোষণা দেয়—কমিশন পদত্যাগ না করলে আন্দোলন চলবে। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।


নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মহানগর উত্তর এক প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। তারা অভিযোগ করে, বর্তমান নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে গঠন করা হয়েছে এবং এটি সম্পূর্ণভাবে বিতর্কিত। সমাবেশ থেকে কমিশনারদের পদত্যাগের জোর দাবি জানানো হয় এবং বলা হয়—পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

সমাবেশের আগে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সামনে জড়ো হন এনসিপির নেতাকর্মীরা। সেখানে দলটির মুখ্য সংগঠক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, উপদেষ্টাদের মধ্যে যারা বিএনপির হয়ে কাজ করছেন, তাদের বাধ্য করা হবে পদত্যাগে। তিনি নাম উল্লেখ করে বলেন, ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ ও সালেহউদ্দিন আহমেদ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছেন, এবং আসিফ নজরুল আইন মন্ত্রণালয়কে ভেঙে দিতে কাজ করছেন।

নাসির উদ্দীন আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন বিএনপির কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। ইসি পুনর্গঠন ছাড়া কোনও নির্বাচন হতে দেবে না এনসিপি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের টাকা খেয়ে বিএনপি বড় বড় কথা বলছে এবং নগর ভবন বন্ধ করছে—যা জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

তিনি আরও অভিযোগ করেন, উপদেষ্টা প্যানেলে বিএনপিপন্থিদের স্থান দেওয়া হয়েছে এবং তারা ভারতীয় নির্দেশে কাজ করছেন। বিশেষ করে সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, তিনি ভারত থেকে এসে ভারতীয় দালালের ভূমিকা পালন করছেন।

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের প্রতি কঠোর ভাষায় বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে যদি দোটানা করেন, তাহলে তিনি দেশে থাকতে পারবেন না।

সমাবেশ থেকে এনসিপি ঘোষণা দেয়, বর্তমান নির্বাচন কমিশন আর কোনও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং তা একটি দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। কমিশন সংস্কারের দাবিতে আইনের পরিবর্তন ও নীতিমালা সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়।


১৫ তলা থেকে পড়ে একটি শিশু বেঁচে গেল!

১৫ তলা ভবন থেকে পড়ে গিয়েও বিস্ময়করভাবে বেঁচে যায় একটি শিশু। ঘটনাটি শুধু এলাকাবাসী নয়, চমকে দিয়েছে বিজ্ঞানীদেরও। পদার্থবিদ্যার দৃষ্টিতে এত উচ্চতা থেকে বেঁচে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হলেও, বিশেষ কিছু উপাদান এই বাঁচার ব্যাখ্যা দিচ্ছে। পুরো ঘটনাটি রীতিমতো গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে।


১৫ তলা থেকে পড়ে গেলেও বেঁচে গেল শিশুটি, কীভাবে সম্ভব হলো?

১৫ তলা ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার পরও এক শিশুর বেঁচে যাওয়া নিয়ে সবার মনে জন্ম নিয়েছে বিস্ময় ও প্রশ্ন। এত উঁচু থেকে পতনের পর কীভাবে সে বেঁচে থাকল, এটাই এখন সবার কৌতূহলের বিষয়।

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার পা ভেঙেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অভ্যন্তরীণ আঘাত রয়েছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, তার আঘাতগুলো প্রাণঘাতী নয় এবং সে পুরোপুরি সেরে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বেঁচে যাওয়ার পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
এমআইটি’র পদার্থবিদ্যা ও যান্ত্রিক প্রকৌশলের অধ্যাপক অ্যানেট হোসোই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির কম ওজন ও পড়ার সময় ঝোপঝাড়ে অবতরণ করায় তার শরীরের ওপর পতনের গতি ও চাপ অনেকটাই কমে গেছে।

ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হোসোই বলেন, “শিশুটি যেই ঝোপের ওপর পড়েছে, তা তার পতনের শক্তি অনেকটাই শুষে নিয়েছে। এখানে শিশুর পক্ষে সবকিছুই অনুকূলে ছিল।”

১৫ তলা ভবন থেকে পড়ে গিয়েও বিস্ময়করভাবে বেঁচে যায় : ফাইল ছবি

গতি ও বলের সম্পর্ক
হোসোই আরও জানান, নিউটনের সূত্র অনুযায়ী, বল = ভর × ত্বরণ। শিশুর শরীরের ভর কম হওয়ায় তার ওপর পড়ার সময় গতি ও বলের প্রভাবও তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

টার্মিনাল ভেলোসিটি ও ঝোপের ভূমিকা
তিনি বলেন, “টার্মিনাল ভেলোসিটি” বা সর্বোচ্চ পতন গতি হলো সেই সীমা, যেখানে শরীর আর দ্রুত পতিত হয় না। ১৫ তলা থেকে পড়লেও শিশুটি সেই গতি অর্জন করেনি। তার পতনের সময় গতি ছিল প্রায় ৪০ মাইল প্রতি ঘণ্টা, যেখানে একজন প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে তা হতে পারে ৬০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ঝোপঝাড়ের উপস্থিতি এ গতিকে আরও কমিয়ে দেয়, ফলে প্রাণে বেঁচে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।


ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য কাকা প্রস্তুত

ব্রাজিল জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তি ফুটবলার কাকা। খেলোয়াড় হিসেবে সাফল্যের পর এবার তিনি দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত বলে জানান। ভক্তদের মাঝে জেগেছে নতুন প্রত্যাশা—কাকার অভিজ্ঞতা কি আবার ফিরিয়ে আনবে ব্রাজিল ফুটবলের সোনালি দিন?


ব্রাজিল দলের কোচিংয়ে আনচেলত্তি, সহকারী হিসেবে কাকাকে চান

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হওয়ার গুঞ্জন অনেক দিন ধরেই ঘুরছে কার্লো আনচেলত্তিকে ঘিরে। প্রথমবার বিষয়টি সামনে আনেন সিএনএন ব্রাজিলের উপস্থাপক বেঞ্জামিন ব্যাক। খবর অনুযায়ী, আনচেলত্তি ব্রাজিল দলে নিজের সহকারী হিসেবে সাবেক বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার কাকাকে চাচ্ছেন এবং এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইতোমধ্যেই প্রাথমিক যোগাযোগও হয়েছে।

এই খবর যখন মিডিয়ায় আলোচনার জন্ম দেয়, তখনও তা নিশ্চিত ছিল না। তবে এবার নিজেই মুখ খুলেছেন কাকা। তিনি জানালেন, জাতীয় দলের দায়িত্ব পেলে ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে সাহায্য করতে তিনি প্রস্তুত।

সাবেক এই তারকা প্লেমেকার এসি মিলানের হয়ে আনচেলত্তির অধীনে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও সিরি ‘আ’ জিতেছেন, সেই সঙ্গে জিতেছেন ব্যালন ডি’অর। ব্যক্তিগত ও পেশাদার ঘনিষ্ঠতা থেকেই হয়তো আনচেলত্তির পছন্দের তালিকায় আছেন কাকা।

‘কেজ টিভি’ নামক এক ব্রাজিলিয়ান ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাকা বলেন, “দল যদি মনে করে আমি কোনোভাবে কাজে লাগতে পারি, তাহলে আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।”

তিনি আরও জানান, “২০১৭ সালে খেলা ছেড়ে দেওয়ার পর নিজেকে প্রস্তুত করেছি। হার্ভার্ডে স্পোর্টস বিজনেস পড়েছি, সিবিএফের কোচিং কোর্স করেছি এবং বিশ্বকাপে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।” সব মিলিয়ে জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে থাকাটা তার পরবর্তী লক্ষ্য বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কাকা।


ভয়াবহ আগুনে পুড়লো ৩০ দোকান, মধ্যরাতে বাঘাইছড়িতে

“বাঘাইছড়ি উপজেলায় মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনীর তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে দায়ী করা হচ্ছে।”


বাঘাইছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৩০ দোকান পুড়ে ছাই
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার বৃহত্তর মুসলিম ব্লক বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০টির বেশি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। বুধবার রাত ১টার দিকে আলমগীরের কাপড়ের দোকান থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়।

ঘটনার বিস্তারিত:

  • বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মনে করা হলেও স্থানীয়রা বিষয়টিকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন
  • উপজেলায় ফায়ার স্টেশন না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেড় ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়
  • মুদি, কাপড়, ওষুধ ও চায়ের দোকানসহ ৩০টির বেশি দোকান পুড়ে যায়
  • আনুমানিক দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে
বিপ্লব তালুকদার : খাগড়াছড়ি

স্থানীয়দের ক্ষোভ:
২০১৮ সালে ফায়ার স্টেশন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হলেও সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাজ শুরু হয়নি। এ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনের তৎপরতা:
বাঘাইছড়ি থানার ওসি ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত শুরু করেছেন।


সাংবাদিকদের সমস্যা ও প্রয়োজন নিয়ে আলোচনা করলেন পাজেপ চেয়ারম্যান

খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয় পরিদর্শন করেন পাজেপ চেয়ারম্যান। তিনি সাংবাদিকদের পেশাগত ভূমিকার প্রশংসা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। মতবিনিময়কালে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। সাংবাদিক মহলে এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।


খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তার প্রথম এই প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি।

জেলার সাংবাদিক ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যালয়ে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এরপর আয়োজিত মতবিনিময় সভায় জিরুনা ত্রিপুরাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাহরিয়ার ইউনুস। সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ নিপু, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

জিরুনা ত্রিপুরা তার বক্তব্যে বলেন, “সাংবাদিকেরা জাতির দর্পণ। তারা সমাজের ভুল তুলে ধরেই সমাজকে শুদ্ধির পথে নিতে ভূমিকা রাখে।” তিনি জেলা পরিষদের কর্মকাণ্ড নিয়ে মতামত ও পরামর্শ জানাতে সাংবাদিকদের উৎসাহিত করেন।

পরিদর্শনে চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছিলেন পরিষদের সদস্য নিটোল মনি চাকমা, শহিদুল ইসলাম সুমন, ধনেশ্বর ত্রিপুরা এবং কংজপ্রু মারমা।
সভায় সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সংগঠনের কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। শেষে জিরুনা ত্রিপুরা সাংবাদিক কল্যাণ তহবিলে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।


ঝটিকা মিছিল থেকে ইউপি চেয়ারম্যান লাকী গ্রেপ্তার

ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান লাকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গ্রেপ্তারের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ঘটনার তদন্ত ও চেয়ারম্যানের ভূমিকা নিয়ে চলছে আলোচনা।


ঢাকায় ঝটিকা মিছিল থেকে ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম গ্রেফতার

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম লাকীকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মাহমুদা বেগম একটি ঝটিকা মিছিলে অংশ নেন এবং সেই সূত্রে সোমবার (২০ মে ২০২৫) রাতে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ তাকে আটক করে। পরে রাতেই তাকে দীঘিনালা থানায় আনা হয়।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে পূর্বে দায়েরকৃত একটি মামলার ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

মাহমুদা বেগম লাকী খাগড়াছড়ি জেলার একমাত্র নারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সঙ্গে তিনি দীঘিনালা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।


হিটু শেখ হত্যার বিচার চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের

হিটু শেখ হত্যা মামলার নথি হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও বিচারপ্রক্রিয়ার গতি আনার দাবিতে পরিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। মামলার অগ্রগতি নিয়ে শুনানি ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ এখন হাইকোর্টের বিবেচনায় রয়েছে।


আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, বাকি তিনজন খালাস

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। গত ১৭ মে বিচারক এম জাহিদ হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অন্য তিন আসামি—সজীব শেখ, তার ভাই রাতুল শেখ ও মা রোকেয়া বেগম (হিটু শেখের স্ত্রী) খালাস পেয়েছেন।

মামলার মূল আসামি হিটু শেখ ১৫ মার্চ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেয়, যেখানে সে এককভাবে এই ঘটনার দায় স্বীকার করে। আদালত তার জবানবন্দি, মেডিকেল রিপোর্ট, সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ ও ২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। অভিযোগ গঠনের ২১ দিনের মাথায় মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

গত ৬ মার্চ মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বেড়াতে এসে হিটু শেখের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। এরপর আছিয়াকে মাগুরা সদর হাসপাতাল, ফরিদপুর মেডিকেল এবং সর্বশেষ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর শিশুটির মা আয়েশা আক্তার ৮ মার্চ সদর থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ১৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আলাউদ্দিন সরদার চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। এরপর ২৩ এপ্রিল চার্জ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল এবং ৭ মে শেষ হয়। ৮ মে আসামিদের ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা ও ১২-১৩ মে যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

এই মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করে দ্রুত হাইকোর্টে শুনানি শুরু হবে কি না, তা প্রধান বিচারপতির দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে আসার পর নির্ধারণ হবে।


Exit mobile version