চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে অসাধারণ জয় পেল পিএসজি। এই দাপুটে পারফরম্যান্সে তারা ঘরে তুললো বহু প্রতীক্ষিত ইউরোপিয়ান শিরোপা। গোলের বন্যায় বিধ্বস্ত ইন্টার হতাশ, আর পিএসজি ভাসছে উৎসবে। ম্যাচের ফলাফল, বিশ্লেষণ ও মুহূর্তগুলো জানতে পড়ে নিন পুরো প্রতিবেদন।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনাকে হারিয়ে সবার ধারণা ছিল এবার হয়তো শিরোপা উঠবে ইন্টার মিলানের ঘরে। কিন্তু ফুটবলের নামই যদি হয় অনিশ্চয়তা, তাহলে সারপ্রাইজও হবেই! আর সেই চমক দেখিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপ সেরা হলো প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন—পিএসজি।
পাঁচ গোলের দুর্দান্ত জয়ে ফাইনাল ম্যাচে ইন্টারকে উড়িয়ে দেয় ফরাসি জায়ান্টরা। নেইমার, মেসি, এমবাপ্পে—সব চেষ্টাই করে গেছেন বছরের পর বছর। কিন্তু শিরোপার স্বাদ তারা আনতে পারেননি।
শেষমেশ দায়িত্ব নেন সাবেক বার্সা কোচ লুইস এনরিকে। যিনি ২০১৫ সালে বার্সেলোনাকে জিতিয়েছিলেন ট্রেবল, তিনিই এবার ১০ বছর পর পিএসজিকে এনে দিলেন কাঙ্ক্ষিত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি।
২০০৮ সালে কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট ক্লাবটি কিনেছিল ইউরোপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। বহুবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা। কিন্তু এবার আর কোনো ভুল হয়নি।
ফাইনালে প্রথম গোল আসে আশরাফ হাকিমির পা থেকে, যার শুরুটা মাত্র ১২ মিনিটেই। সাবেক ক্লাব ইন্টারকে সম্মান জানিয়ে গোল উদযাপন করেননি তিনি। সেই গোলের সহকারী ছিলেন ১৯ বছর বয়সী তরুণ তারকা দেজ্যের দুয়ে।
এরপর এই দুয়ে নিজেই জোড়া গোল করেন—২০ ও ৬৩ মিনিটে। ম্যাচে যখন দেম্বেলে, লাওতারোদের মতো তারকারা ছিলেন আলোয়, তখন সব নজর কাড়লেন এই কিশোর ফুটবলার।
চতুর্থ গোলটি আসে কাভারাতশখেলিয়ার পা থেকে। আর ম্যাচের শেষ দিকে মাইলুলুর গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-০।
এমন একপেশে জয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ইতিহাসেই বিরল।
২০২০ সালের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে যাওয়ার পর পিএসজির সেই অপূর্ণতা এবার ঘুচলো, তাও বায়ার্নের হোমগ্রাউন্ডে!
