“মাস্ক ছাড়া নয়, স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান খাগড়াছড়ির চেয়ারম্যানের”

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানিয়েছেন। জনসচেতনতা বাড়াতে তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেছেন। মাস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সংক্রমণ কমানো সম্ভব বলেও জানান তিনি। এই উদ্যোগের লক্ষ্য—করোনা ঝুঁকি হ্রাস ও নিরাপদ খাগড়াছড়ি নিশ্চিত করা।


খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা জনগণকে সতর্ক করে বলেছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। শুধু নিজের সুরক্ষা নয়, বরং অন্যদের সুস্থতা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। তিনি জানান, সরকার প্রাণঘাতী করোনার নানা রূপ বা ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বরে পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত মাস্ক পরিধান সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “করোনার নতুন নতুন ধরন আমাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা অনেক প্রিয়জনকে হারিয়েছি। দুঃখজনক হলেও সত্য, এখনো অনেকেই মাস্ক পরিধানে অনীহা দেখায়।” তিনি সবাইকে মাস্ক পরার পাশাপাশি অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে শহরের যাত্রী, রিকশাচালক, শ্রমিক, দোকানি ও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এই কার্যক্রমে যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক দল অংশ নেয় এবং সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে।


“খাগড়াছড়িতে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের জেলা কমিটি পুনর্গঠন”

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি নতুনভাবে গঠিত হয়েছে। জেলা পর্যায়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন নেতৃত্বে পূজা ফ্রন্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


খাগড়াছড়িতে “বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট” নামে একটি নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
খাগড়াছড়ি সনাতন সমাজ কল্যাণ পরিষদ কার্যালয়ে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে আয়োজিত এক সভায় জেলার ৯ উপজেলার সনাতনী প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সংগঠনটি হবে একটি অরাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক প্ল্যাটফর্ম।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটির আংশিক গঠন করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন সনাতন সমাজ কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব অশোক মজুমদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয় সাধন দে (বিএনপি সাধন)-কে।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান মানিকছড়ির সনাতনী নেতা বাবুল দেওয়ানজী
সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন সুজিত চৌধুরীসমীর কান্তি সাহা এবং যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন সাধন পাল

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, দ্রুত জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও প্রতিটি উপজেলার কমিটি গঠন করা হবে। সংগঠনের লক্ষ্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐক্য, সামাজিক উন্নয়ন ও উৎসব উদযাপনকে সুশৃঙ্খল ও স্বতঃস্ফূর্ত করা।


ঈদের দিনে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০

ঈদের দিনে একটি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। স্থানীয়ভাবে শুরু হওয়া এই বিবাদ দ্রুত সহিংসতায় রূপ নেয়। ঈদের আনন্দময় পরিবেশে হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া উত্তেজনায় এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।


নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের কান্দিপাড়া গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষ মিলে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (ঈদের দিন) বিকালে। স্থানীয়দের তথ্যমতে, ঈদের আনন্দে মেতে ওঠা গ্রামবাসীর একটি দল পতিত জমিতে ফুটবল খেলছিল। খেলার সময় ওই গ্রামের আরেকটি দল এসে খেলায় অংশগ্রহণের দাবি জানালে শুরু হয় তর্কাতর্কি। এরপর তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রায় আধঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে গ্রামে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় থাকা কালাম (৪০), রহমতউল্লাহ (৫০), লাইলী আক্তার (৩০), সৈয়দ মিয়া (৭০) এবং আজহারুল (১৯) প্রথমে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন এবং পরবর্তীতে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠানো হয়।

এছাড়া, মাসুদ মিয়া, কমলা আক্তার, মাস্তু মিয়া, লাল মিয়া, সাকিব, জসিম, স্বপন, মাহতাব, আরিফ, হিরণ, দুলাল ও ফরহাদসহ আরও অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম বলেন, এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সশস্ত্র হামলায় আহত বাবা-ছেলে, ডাকাতদের হাতে অর্থ লুট

দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন এক বাবা ও তাঁর ছেলে। কুপিয়ে জখম করার পর ডাকাতরা লুটে নেয় নগদ টাকা। এই নির্মম ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার তদন্তে নেমেছে, তবে হামলাকারীরা এখনো পলাতক। নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।


চুয়াডাঙ্গায় ফাঁকা মাঠে ডাকাতি, বাবা-ছেলে আহত

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শিবপুর-মর্তুজাপুর সড়কের ফাঁকা মাঠে ডাকাতির শিকার হয়েছেন ভ্রাম্যমাণ পোশাক বিক্রেতা বাবা ও ছেলে। দুর্বৃত্তদের হামলায় ছেলেকে কুপিয়ে ও বাবাকে পিটিয়ে তাদের কাছ থেকে প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা লুট করে নেয়া হয়। বুধবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন কুতুবপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা শফি উদ্দিন (৫৫) ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (২২)। ঘটনার পর পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ছেলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শফি উদ্দিন জানান, রাত ১০টার দিকে দশমাইল বাজার থেকে কাপড় বিক্রি শেষে ভ্যানে বাড়ি ফিরছিলেন। শিবপুর ও মর্তুজাপুর গ্রামের মাঝামাঝি পৌঁছালে বাঁশের ব্যারিকেডে ভ্যানটি উল্টে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই ৬-৭ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালায়। ছেলেকে কুপিয়ে জখম এবং তাকেও মারধর করে টাকা লুটে নেয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জিয়ারুলের বাম হাতে গভীর ক্ষত হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। শফি উদ্দিন শঙ্কামুক্ত।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি খালেদুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য জানা গেছে। অভিযোগ পেলে বিস্তারিত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


খাগড়াছড়িতে ঈদ উপহার পেলেন আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা

খাগড়াছড়িতে ঈদ উপহার পেলেন ৩ হাজার ৬৬৫ জন আনসার ভিডিপি সদস্য
বিপ্লব তালুকদার, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ি জেলা পোর টাউন হলে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের মাঝে ঈদুল আজহা উপলক্ষে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৪ জুন) সকাল ১০টায় আনসার ভিডিপির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে এই উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ও পার্বত্য রেঞ্জের উপমহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ সাইফুর রহমান। তিনি উপস্থিত সদস্যদের হাতে ঈদের উপহার তুলে দেন। ড. সাইফুর রহমান বলেন, “আনসার ভিডিপির সদস্যরা পাহাড়ি অঞ্চলে যেকোনো দুর্যোগে অক্লান্ত পরিশ্রম করে থাকেন। তাদের এই নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ঈদ উপলক্ষে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ আরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কুমিল্লা টিলা আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক মোহাম্মদ আমমার হোসেন এবং উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রোকেয়া পারভিন।

ঈদ উপহার সামগ্রীর প্যাকেটে সেমাই, সুজি, চিনি, তেল, নুডুলস, চাল, গুঁড়া দুধসহ মোট আটটি খাদ্যদ্রব্য রাখা হয়। উপহার পেয়ে আনসার ভিডিপি সদস্যরা মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


উলিপুরের সেই বিষন্ন বিকেল: চাকায় থেমে গেল সামিয়ার স্বপ্নপথ

উলিপুরের এক হৃদয়বিদারক বিকেলে একটি চাকার নিচে চিরতরে থেমে গেল সামিয়ার জীবন। স্কুলফেরত কিশোরীর এই করুণ পরিণতি শুধু তার পরিবারের নয়, পুরো সমাজের হৃদয়ে শোকের ছাপ ফেলেছে। জানুন কীভাবে একটি মুহূর্তে স্বপ্ন হয়ে গেল মৃত্যু—এই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে আমাদের প্রতিবেদনে।


একটি শিশুর মৃত্যু মানে শুধুই একটি প্রাণ ঝরে যাওয়া নয়—এটি এক অসমাপ্ত সম্ভাবনার শেষ সুর, এক পরিবারের স্বপ্নভঙ্গ, এবং সমাজের দায়িত্ববোধের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছিল, পাখির কিচিরমিচিরে মুখর ছিল চারপাশ। এমনই এক শান্ত বিকেলে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। সামিয়া আক্তার, মাত্র এক বছরের একটি শিশু, খেলতে খেলতে ঘরের বাইরে সামান্য দূরে গিয়েছিল।

হঠাৎই একটি ট্রাক্টর প্রচণ্ড শব্দে ছুটে আসে। কেউ খেয়াল করার আগেই ছোট্ট সামিয়াকে পিষে দেয় নির্মম সেই যন্ত্র। এক মুহূর্তেই থেমে যায় এক শিশুর প্রাণের উচ্ছ্বাস, নিস্তব্ধ হয়ে যায় একটি মায়ের আদরের কণ্ঠ।

তার মা তখনও ছিলেন সামনেই—চোখের সামনেই মেয়েটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে শুধু চিৎকারই করতে পারেন। সেই কান্না যেন ছড়িয়ে পড়ে গোটা গ্রামে, প্রতিটি পথের ওপর।

হ্যাঁ, একটি শিশু মারা গেছে—এটি নিছক একটি সংবাদ নয়। এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কোথাও কোনো সুরক্ষা নেই, এমনকি নিষ্পাপ শিশুটির জন্যও, এক সাদামাটা বিকেলের মাঝেও।

আমরা কতটা উদাসীন হলে এমন ঘটনা ঘটে যেতে পারে? একটি ট্রাক্টর চালক কতটা বেপরোয়া হলে এমন অবহেলা করতে পারে? কে দেবে জবাবদিহি সামিয়ার নিঃশর্ত চলে যাওয়ার?


খাগড়াছড়িতে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ, ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে

খাগড়াছড়িতে ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করেছে পৌরসভা। সকালে খাগড়াছড়ি পৌরসভার আয়োজনে ঈদগাহ মাঠে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার।

[ আরও পড়ুন ]
এ সময় পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক নাজমুন আরা সুলতানাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডের
৪ হাজার ৬ শ ২১ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসন দপ্তর থেকে জানানো হয়, ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায় জেলায় যে বরাদ্দ এসেছে তা বন্টনে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে প্রদান করা হয়েছে।


গ্রেফতার হলেন আওয়ামী লীগের নেতা নিউটন মহাজন

আওয়ামী লীগ নেতা নিউটন মহাজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ, যা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে নানা মহলে।


খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নিউটন মহাজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ জুন) বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীঘিনালা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলাউদ্দিন এবং এসআই শফিকুল ইসলাম শফিকের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাহাড়তলী থানার সহযোগিতায় এই গ্রেপ্তার অভিযান সম্পন্ন হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া নিউটন মহাজন (৫৬) বোয়ালখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কাঁঠালতলী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।

দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, “তার বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে, যা তদন্তাধীন। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে মঙ্গলবার (৩ জুন) আদালতে পাঠানো হয়েছে।”


Exit mobile version