নতুন মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন আনিসুল, সালমান ও পলক। অপরদিকে শাহে আলমকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। মামলার পেছনের কারণ, অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে চলছে আলোচনা। জানুন আদালতের সিদ্ধান্ত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য এবং এ ঘটনায় সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
ক্ষমতা হারানো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাক্তন বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ চার জন নেতাকে নতুন করে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এসব মামলায় তাদের গ্রেপ্তারের অনুমোদন দেন এবং পরে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নতুনভাবে গ্রেপ্তার দেখানো নেতারা হলেন:
- সালমান এফ রহমান (গুলশান থানার মামলা)
- জুনাইদ আহ্মেদ পলক (মিরপুর থানার মামলা)
- আনিসুল হক (মিরপুর থানার মামলা)
- আসাদুর রহমান কিরন (উত্তরা পূর্ব থানার মামলা)
আলাদাভাবে, নিউমার্কেট থানার ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা শাহে আলম মুরাদকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। পুলিশের পক্ষ থেকে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলেও উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের অনুমতি দেন।
এদিকে এর আগেই গ্রেপ্তারকৃত সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক ও পলককে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর সংশ্লিষ্ট থানার মামলায় নতুন করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
প্রসঙ্গত, ছাত্র ও জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৩ আগস্ট সালমান ও আনিসুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে পলকসহ অন্য নেতাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
