আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে, যা যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়াকে আরও গতি দেবে। বিচার কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে এ ট্রাইব্যুনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে আরেকটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ নতুনভাবে গঠিত হওয়ার পর মঙ্গলবার (১৭ জুন) তিন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকের সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই সংবর্ধনা প্রদান করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ও ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার হবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে, যাতে কোনও ধরনের প্রশ্ন না ওঠে।” অন্যদিকে প্রধান প্রসিকিউটর জানান, বিচারপ্রক্রিয়ায় মামলা দুটি ট্রাইব্যুনালের মধ্যে ভাগ করে পরিচালনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “দেশের মানুষ আর গুম কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যার সংস্কৃতি দেখতে চায় না। তাই এই বিচার যেন প্রকৃত সত্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
এদিন, জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ট্রাইব্যুনাল। এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
