অনবরত বৃষ্টিতে প্লাবিত এলাকা বাড়ছে, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

টানা বৃষ্টির ফলে দেশের কয়েকটি জেলায় প্লাবন পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গ্রাম ও শহর প্লাবিত হচ্ছে, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ফসল, ঘরবাড়ি ও চলাচলে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমাদের প্রতিবেদন।


টানা বর্ষণের ফলে শেরপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি বাড়ছে, যা জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

শেরপুরে, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে ঝিনাইগাতি উপজেলার কালি নগর ও পাগলার মুখ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা কাঁচা ধান কাটার পর শুকাতে পারছেন না, ফলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে। উজান থেকে পানি বাড়তে থাকলে বন্যার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না স্থানীয়রা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়, এখনো ডুবে আছে দক্ষিণ ইউনিয়ন, মোগড়া ও আরও কয়েকটি এলাকার নিম্নাঞ্চল। পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। হাওড়া নদীর পানি বেড়ে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় আছেন এলাকার মানুষ।

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি ও জুরাছড়িতে বৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন খোলেছে ২৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র। অনেকেই রাত কাটাচ্ছেন সেখানে, যদিও সকালে ফিরে যাচ্ছেন ঘরে। যান চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।

বান্দরবানে, টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টিপাতে নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা ও আলিকদমের কিছু এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হচ্ছে। জলাবদ্ধতা ও সড়ক বন্ধ হয়ে পড়ায় পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *