২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় খালাস পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে ১ জুন। এ শুনানি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করছে, বিচারিক ভুলে আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। এই শুনানি মামলার ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় হাইকোর্টের রায়ে আসামিদের খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৮ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত সাত বিচারপতির আপিল বিভাগ এই শুনানি ১ জুন পর্যন্ত মুলতবি রাখার আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে, গত বছরের ১ ডিসেম্বর এই মামলায় হাইকোর্ট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল আসামিকে খালাস দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ চলতি বছরের ১৯ মার্চ আপিল করে, যেখানে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপত্তি জানানো হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আশাবাদী যে আপিল বিভাগেও হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে দলের ২৪ জন নেতা-কর্মী প্রাণ হারান। ঐ ঘটনায় শেখ হাসিনা গুরুতর আহত হলেও প্রাণে রক্ষা পান।
এই হামলার ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৮ সালে বিচারিক আদালত মামলার রায় ঘোষণা করে। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও আরও ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।



