বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় প্রথমবারের মতো হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এতে বিচার বিভাগে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। বিস্তারিত জানুন এই পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট ও প্রতিক্রিয়া।
প্রথমবারের মতো হাইকোর্ট বিচারক নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তি জারি
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবার হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বুধবার (২৭ মে) ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত আবেদনপত্রে দরখাস্ত জমা দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুসারে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেসব প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করেছেন, তাদের পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। তবে আরও অধিক যোগ্য প্রার্থীদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ করে দিতে এবার গণবিজ্ঞপ্তির পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
আগ্রহী প্রার্থীদেরকে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনপত্র সরাসরি অথবা ডাকযোগে আগামী ২২ জুনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
উল্লেখ্য, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ গঠন করা হয়। এই নতুন নীতিমালার আওতায় বিচারক নিয়োগে এটি প্রথম গণবিজ্ঞপ্তি।



