সরকারি চাকরি সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা ও বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠন। তারা মনে করছেন, এই অধ্যাদেশ বৈষম্যমূলক ও অবিচারপূর্ণ। দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অধ্যাদেশ নিয়ে জনমনে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের চলমান অসন্তোষের বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার জাপান সফর শেষে তার সামনে তুলে ধরা হবে। সফর শেষে ৩১ মে দেশে ফিরবেন তিনি। এরপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমদ।
বুধবার (২৮ মে) সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান। বৈঠকে সরকারি চাকরি সংশোধনী নিয়ে কর্মচারীদের আন্দোলনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়।
ভূমি সচিব জানান, আন্দোলন স্থগিত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে কর্মচারীদের, যেন আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তবে কর্মসূচি স্থগিত করা হবে কি না, তা পরে ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হবে বলে জানান সচিবালয়ের কর্মচারীরা।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন।
গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ সংশোধনের মাধ্যমে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মচারীরা আন্দোলনে নামেন, যার ফলে গত কয়েক দিন ধরে প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা গেছে।



