বুবলী ও সজল অভিনীত একটি নতুন সিনেমা ঘিরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি ছবির কিছু বিষয়বস্তু নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শুটিং বন্ধের আহ্বান জানান। বিষয়টি চলচ্চিত্র অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং জয়ার বক্তব্য ইতোমধ্যে দর্শক ও মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। পরিস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে আলোচনার ঝড়।
চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী ও জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল নতুন একটি চলচ্চিত্রে জুটি বেঁধেছেন। সিনেমাটির নাম ‘শাপলা শালুক’, যার শুটিং চলছে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার ভারত সীমান্ত সংলগ্ন এক প্রাকৃতিক লোকেশনে। এই অঞ্চলে প্রায়ই বন্যহাতির চলাচল দেখা যায়, আর এই শুটিং চলাকালেই ঘটেছে এক বিপজ্জনক ঘটনা।
অভিনেতা সজল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “গত ৯ দিন ধরে আমরা এখানে শুটিং করছি। হঠাৎ করেই ৮-৯টি বন্যহাতি আমাদের সেটে চলে আসে। পুরো টিম আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সৌভাগ্যবশত, বড় কোনো ক্ষতি হয়নি, আমরা সবাই নিরাপদে ছিলাম।
এদিকে, এই শুটিং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি মনে করছেন, জঙ্গলের ভেতর চলচ্চিত্রের শুটিং পরিবেশের জন্য হুমকি হতে পারে। বনাঞ্চলের শান্ত পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে জয়া আহবান জানান, “বন বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মন চাইলে কি যে কোনো জায়গায় লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন শুরু করা যায়?”
তিনি আরও লিখেছেন, “মাইকের শব্দ, বর্জ্য ও গান-বাজনার মাধ্যমে এই স্পর্শকাতর জায়গার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এটা কি ঠিক হচ্ছে?”
জয়ার বক্তব্যে অনেকেই সহমত পোষণ করে মন্তব্য করেছেন, যে প্রাকৃতিক পরিবেশে বন্যপ্রাণীর বসবাস সেখানে শুটিং ইউনিটের উপস্থিতি প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর।
অন্যদিকে, বুবলী জানিয়েছেন, নালিতাবাড়ীর এই লোকেশনে এর আগে কখনো শুটিং করেননি তিনি। তাঁর ভাষ্য, “এই লোকেশনটি খুবই নিরিবিলি ও মনোমুগ্ধকর। দর্শকদের চোখে প্রশান্তি এনে দেবে।
চলচ্চিত্রটিতে সজল-বুবলী ছাড়াও অভিনয় করছেন সুমন আনোয়ার, আয়মান শিমলা, দিলরুবা দোয়েল, রফিকুল রুবেল ও বাপ্পীসহ আরও অনেকে।



