মোঃ মিলন হকের লেখা ‘কবিতেশ্বরীর ছায়ায়’ কবিতাটি পাঠককে নিয়ে যায় কল্পনার এক অনুপম জগতে। হৃদয়স্পর্শী শব্দচয়ন ও গভীর ভাবনায় পরিপূর্ণ এই কবিতা কাব্যপ্রেমীদের মনে সৃষ্টি করে এক বিশেষ অনুভব। শব্দ ও ছায়ার মেলবন্ধনে মিলন হক তুলে ধরেছেন এক নান্দনিক কাব্যরূপ।
হে কবিতার দেবী, অন্তরস্পর্শী,
তোমার আলোয় দিশেহারা এই হৃদয়—
সুরের নৌকায় ভাসাও আমায়, অনন্তের পানে।
চোখের ইশারায় বাঁধো ভালোবাসার জীবন্ত পঙ্ক্তি।
তুমি যেন বিস্তৃত আকাশ,
তোমার ছোঁয়ায় ব্যথা আর শিহরণ একাকার।
তোমার ভাষায় উঠে আসে জীবনের গভীর সুর।
প্রেমের নীরব মাধুর্যে তুমি সিক্ত করো,
তোমার কবিতায় বাজে হাহাকার আর প্রেমের জাল।
তুমি যে রাতজাগা স্বপ্নের কণা,
তুমি আমায় বেঁধে রাখো অনুভবের বন্ধনে।
তুমি মৌমাছির ছন্দে আন্দোলিত ফুলবাগান,
তোমার ছায়ায় সৃষ্টি পায় প্রাণের দোলা।
আলো-আঁধারীর সীমারেখায় ছুঁয়ে যাও অন্তরের আকাশ।
হে কবিতার মাতৃরূপা, রাখো আমায় তোমার করুণ ছায়ায়।
তুমি প্রেমের ছবি আঁকো,
চাঁদভেজা রাত্রির মৃদু সুরে।
তোমার শব্দে বর্ষা নামে মুগ্ধতায়,
আঁধারের মধ্যে জ্বলে ওঠে প্রেমের দীপ্তি।
তোমার স্মৃতি ভর করে উন্মাদ আবেশ,
ঝড়ের মতন কণ্ঠে ধ্বনিত অতীতের পদধ্বনি।
তুমি স্বপ্নের নাবিক, অথৈ প্রেমসাগরের মাঝি,
তোমার সৃষ্টিতে আমি হয়ে যাই বোধশূন্য এক জোনাকি।



